ভোট দিতে যাওয়ার পূর্বে নির্দেশগুলি পালন করুন

Vote

প্রথমত: ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে যাবেন না। সাইলেন্ট বা অফ করেও না। একান্ত নিতেই যদি হয়, তা কেন্দ্রীয় সিআরপি এফএর কাছে নির্দিষ্ট জায়গায় জমা রাখবেন। মোবাইল নিয়ে বুথে ধরা পড়লে বিপত্তি। এবার নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে খুব কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ জারি করেছে। জেল হাজতও হতে পারে।

দ্বিতীয়ত: কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে অযথা কথা-বার্তা বলতে যাবেন না। ওদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিন।

তৃতীয়ত: ভোটার আই কার্ড বা এপিক সঙ্গে নিয়ে যাবেন ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে। অযথা পাসপোর্ট দেখিয়ে অতিরিক্ত সম্মান পেতে যাবেন না। হাতের কাছে একান্ত না থাকলে যে কটা লিস্টে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে সেগুলোই নিয়ে যান।

চতুর্থত: কোনও বিষয় নিয়ে ভোট গ্রহণ কেন্দ্রের ভিতরে ফার্স্ট পোলিং-এর সঙ্গে তর্ক করতে যাবেন না।

পঞ্চমত : নিজের অংশ নম্বর আর লিস্টের আনমার্কড কপি তার সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারেন। আপনার সুবিধা হতে পারে।

ষষ্ঠতম : পার্টির দেওয়া কাগজের প্রচার অংশটা বাড়ি থেকেই ছিঁড়ে নিয়ে যাবেন। ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ছিঁড়বেন না। সেটা নিয়ে বুথে ঢুকবেন না।

সপ্তম: ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে প্রবেশ করে তাড়াহুড়ো করবেন না। বয়ষ্ক মানুষ ও গর্ভবতী মহিলাদের আগে ছেড়ে দিন।

অষ্টম: ভোট দিয়ে ভিভিপ্যাটের কাগজ দেখে তবেই বাইরে বের হবেন। একবার ভিতর থেকে বের হলে আর প্রবেশ করার চেষ্টা করবেন না। মনে রাখবেন,সিসিটিভি কিন্তু চালু রয়েছে।

নবম: প্রার্থীর মুখটা বোতাম না। বোতাম পাশে আছে। নীল রঙের। তাতে চাপ দিতে হবে।

দশম: একবার চাপ দিলে যা হবে, দশবার দিলেও তাই হবে।

একাদশ: লাইনে দাঁড়িয়ে কারও সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক আলোচনা করবেন না।

দ্বাদশ: ভিতরে ঢুকে অযথা সময় নষ্ট করবেন না। এজেন্টদের সঙ্গে গল্প জুড়ে দেবেন না। ভোটকর্মীদের কথা শুনুন।

ত্রয়োদশ: ভোট কেমন হচ্ছে বা কত পার্সেন্ট ভোট পড়ল? এ সব নিয়ে জানতে যাবেন না। সেক্টর আর প্রিসাইডিং অফিসারের এ বিষয়ে দায়িত্ব রয়েছে। অহেতুক প্রশ্ন করে উত্যক্ত করতে যাবেন না। নিজের ভোট নিজে দেবেন। শান্তিতে ভোট করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *